মহিলাদের নখ বড় রাখা/নেল পালিশ
ব্যবহার/ভুরু র্প্লাক করা সর্ম্পকে ইসলাম
কি বলে ??
==============================
নখ বড় রাখা, নেলপালিশ, ভুরু র্প্লাক
করা ইহুদি খ্রিষ্টানের পতিতালয়ের
মহিলাদের অভ্যাস। এটা আজকাল প্রায়
সব নারীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে এমন
কি মুসলিম নারীদের মধ্যেও।
ভুরু প্লার্ক তুলে ফেলা যাবে কি?
নারীরা নিজেদেরকে অন্যের
সামনে সুন্দর করে প্রকাশ করার জন্য ভুরু
লোম উঠে ফেলে ভুরুকে নতুন চাঁদের
ন্যায় অংকিত করে যা সৃষ্টির পরির্বতন।
আর যে সৃষ্টির পরির্বতন করে তার জন্য
আল্লাহ কঠর শাস্থির ব্যবস্থা করেছেন।
ইবনু আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিত
হাদিসের দ্বিতীয় অংশে রাসূল(ছাঃ)
বলেছেন যে নারী অন্যের দেহের
কোন স্থানে সুচালো জিনিস দ্বারা
খোদায় করে অথবা নিজের গায়ে
খোদাই করায় আল্লাহ সেই নারীর উপর
অভিশাপ করেছেন (বুখারী, মুসলিম,
মিশকাত/৪৪৩০)
অন্য হাদিসে এসেছে ইবনু মাসঊদ(রাঃ)
বর্নিত আল্লাহ অভিশাপ করেছেন এমন
সব নারীর উপর যারা অপরের দেহের
কোন স্থানে উলকি অংকন করে এবং
নিজের অঙেও করায়, যারা ভুরুর চুল
তুলে ফেলে এবং যারা সৌন্দর্যের
জন্য দাঁত চেঁছে সরু করে আল্লাহর সৃষ্টির
পরির্বতন ঘটায় (বুখারী, মুসলিম,
মিশকাত/৪৪৩১/চুল আঁচড়ানো অনুচ্ছেদ)
নেলপালিশ লাগা ও নখ লম্বা করা
যাবে ?
শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পানি প্রবেশে
বাধা সৃষ্টিকারী কোন বস্ত্ত ব্যবহার
করা যাবে না কিন্তু নেলপালিশ তা
করে। কেননা ওযূ-গোসলের ক্ষেত্রে
দেহের সামান্য কোন স্থান শুকনা
থাকলেও পবিত্রতা অর্জিত হয় না
(মুসলিম হা/২৪৩, সুবুলুস সালাম হা/৫০)
বরং এর পরিবর্তে নারীরা মেহেদী
ব্যবহার করতে পারে। রাসূলুল্লাহ
(ছাঃ) বলেছেন, ‘নারীদের সুগন্ধি
হচ্ছে যা দেখা যায়, গন্ধ পাওয়া যায়
না। আর পুরুষের সুগন্ধি হচ্ছে যা দেখা
যায় না, গন্ধ পাওয়া যায়’(নাসাঈ, সনদ
ছহীহ, মিশকাত হা/৪৪৪৩)
নখ লম্বা করা একই আচরন অন্য জাতির
অনুকরন আমরা মুসলিম শুধু অন্যের অনুকরনই
করে যাচ্ছি নিজে কোন বৈধ স্টাইল
বানাতে পারছি না।
ইবনু ওমর(রাঃ) বর্নিত রাসূল(ছাঃ)
বলেছেন যে ব্যক্তি কোন জাতির
অনকরন করবে সে তাদেরই অর্ন্তভুক্ত হবে
(আহমাদ, মিশকাত, আবুদাঊদ/৪৩৪৭)
আবু হুরায়রা থেকে বর্নিত রাসুলুল্লাহ
(ছাঃ) নখ ছোট করাকে মানুষের
পাঁচটি স্বভাবধর্মের অন্তর্ভুক্ত বলেছেন
(বুখারী, মুসলিম হা/২৫৮, মিশকাত
হা/৪৪২০ ‘চুল আঁচড়ানো’ অনুচ্ছেদ)।